সংবাদ শিরোনাম :
উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান শিল্পায়নে নতুন মাইলফলক, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ হচ্ছে ৬৫ মিলিয়ন ডলার  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, নতুন উচ্চতায় ঢাকা-কুয়ালালামপুর সম্পর্ক মসজিদুল হারামে ঈদুল আজহার নামাজের ইমামতি করবেন যিনি দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীরকে ‘অতিদ্রুত’ দেশে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত ও অলিগার্কদের ধ্বংস করা হবে: ফখরুল ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চান বিরোধী দলীয় নেতা

পৌষের শীতে কাঁপছে দক্ষিণের জনপদ

অনলাইন রিপোর্ট॥

আজ (১৭ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। পৌষের জেঁকে বসা শীতে কাঁপছে পটুয়াখালীর জনপদ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলে বসবাসকারীরা। তীব্র ঠাণ্ডায় সন্ধ্যা নামলেই গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলোতে কমে যাচ্ছে মানুষের আনাগোনা। এদিকে জেলার হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ডায়রিয়া ও ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। এদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।

কুয়াকাটা পৌর শহরের একজন গাড়ি চালক জানান, সকালে কুয়াকাটা থেকে পর্যটক নিয়ে গঙ্গামতি এলাকায় গিয়েছি। পর্যটকরা সূর্যোদয় উপভোগ করেছে। কিন্তু গঙ্গামতিতে যেতে আসতে ব্যাপক শীত অনুভব হয়েছে। মনে হয়েছে যেন শরীর বরফ হয়ে যাচ্ছে। আজই মনে হয় এ বছরের সবচেয়ে বেশি শীত পড়েছে।  শীতের তীব্রতা এতোটা বেড়েছে যে মোটরসাইকেল ধীরগতিতে চালাতে হচ্ছে। বর্তমানে অনেক মোটরসাইকেলচালক জ্বর ও ঠান্ডা জনিত রোগে ভুগছে।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, আগামী এক সপ্তাহে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল

পৌষের শীতে কাঁপছে দক্ষিণের জনপদ

প্রকাশিত : ০২:৪৮:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২২

অনলাইন রিপোর্ট॥

আজ (১৭ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। পৌষের জেঁকে বসা শীতে কাঁপছে পটুয়াখালীর জনপদ। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন চরাঞ্চলে বসবাসকারীরা। তীব্র ঠাণ্ডায় সন্ধ্যা নামলেই গ্রামাঞ্চলের বাজারগুলোতে কমে যাচ্ছে মানুষের আনাগোনা। এদিকে জেলার হাসপাতালগুলোতে বেড়েছে ডায়রিয়া ও ঠাণ্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা। এদের মধ্যে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি।

কুয়াকাটা পৌর শহরের একজন গাড়ি চালক জানান, সকালে কুয়াকাটা থেকে পর্যটক নিয়ে গঙ্গামতি এলাকায় গিয়েছি। পর্যটকরা সূর্যোদয় উপভোগ করেছে। কিন্তু গঙ্গামতিতে যেতে আসতে ব্যাপক শীত অনুভব হয়েছে। মনে হয়েছে যেন শরীর বরফ হয়ে যাচ্ছে। আজই মনে হয় এ বছরের সবচেয়ে বেশি শীত পড়েছে।  শীতের তীব্রতা এতোটা বেড়েছে যে মোটরসাইকেল ধীরগতিতে চালাতে হচ্ছে। বর্তমানে অনেক মোটরসাইকেলচালক জ্বর ও ঠান্ডা জনিত রোগে ভুগছে।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, আগামী এক সপ্তাহে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে কুয়াশার ঘনত্ব বাড়তে পারে।