ঢাকা ০৮:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বললেন ‘অ্যাকশনে’ যেতে, বাহিনীর সদস্যরা নির্বিকার চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌরশক্তিচালিত সেচ ব্যবস্থায় বদলাচ্ছে কৃষি ব্যবস্থা জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১লা এপ্রিল থেকে আগামী ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে “এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

রোহিঙ্গাদের জন্য সাড়ে ৭ মিলিয়ন ডলার দিবে নেদারল্যান্ডস

ফাইল ছবি

অনলাইন রিপোর্ট॥
রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজার জেলায় তাদের আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের কল্যাণে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মাধ্যমে ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস।
‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়ের পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও সহিষ্ণুতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ঢাকায় নেদারল্যান্ডস দূতাবাস ও আইওএমের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটির লক্ষ্য রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজারে আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের জন্য বহু খাতভিত্তিক সহায়তা প্রদান করা।
বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি অ্যাম্বাসাডর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স থিজ উডস্ট্রা এবং আইওএম বাংলাদেশের অফিসার ইনচার্জ ফাতিমা নুসরাত গাজ্জালি ঢাকায় আইওএম অফিসে নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। কক্সবাজারে ২০১৭ সাল থেকে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় গ্রহণ করেছে। জেলাটি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। সেখানে রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়, বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে।
ফাতিমা নুসরাত গাজ্জালি বলেন, রোহিঙ্গারা সীমিত সুযোগ ও জটিল চ্যালেঞ্জের মধ্যে ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বাস করছে। আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সীমিত সম্পদ, সীমিত বাজার প্রবেশাধিকার, সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগ, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বারবার পরিবেশগত বিপর্যয়।
তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় আইওএম রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দানকারী গোষ্ঠীগুলোর জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করবে, যা সামাজিক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অবদান রাখবে। উডস্ট্রা আশা প্রকাশ করেছেন, তার সরকারের সহায়তা রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি উভয় সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার উন্নতি করতে এবং দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win

রোহিঙ্গাদের জন্য সাড়ে ৭ মিলিয়ন ডলার দিবে নেদারল্যান্ডস

প্রকাশিত : ০১:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর ২০২২
অনলাইন রিপোর্ট॥
রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজার জেলায় তাদের আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের কল্যাণে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার মাধ্যমে ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস।
‘কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শরণার্থী ও আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়ের পরিবেশ পুনরুদ্ধার ও সহিষ্ণুতা জোরদারকরণ’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ঢাকায় নেদারল্যান্ডস দূতাবাস ও আইওএমের মধ্যে এ বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রকল্পটির লক্ষ্য রোহিঙ্গা শরণার্থী ও কক্সবাজারে আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়ের জন্য বহু খাতভিত্তিক সহায়তা প্রদান করা।
বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডসের ডেপুটি অ্যাম্বাসাডর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স থিজ উডস্ট্রা এবং আইওএম বাংলাদেশের অফিসার ইনচার্জ ফাতিমা নুসরাত গাজ্জালি ঢাকায় আইওএম অফিসে নিজ নিজ সংস্থার পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। কক্সবাজারে ২০১৭ সাল থেকে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয় গ্রহণ করেছে। জেলাটি প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা। সেখানে রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয় প্রদানকারী সম্প্রদায়, বিশেষ করে ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে।
ফাতিমা নুসরাত গাজ্জালি বলেন, রোহিঙ্গারা সীমিত সুযোগ ও জটিল চ্যালেঞ্জের মধ্যে ঘনবসতিপূর্ণ শিবিরে বাস করছে। আশ্রয়দানকারী সম্প্রদায়গুলোও বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হওয়ায় তাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে সীমিত সম্পদ, সীমিত বাজার প্রবেশাধিকার, সীমিত কর্মসংস্থানের সুযোগ, অপর্যাপ্ত অবকাঠামো এবং বারবার পরিবেশগত বিপর্যয়।
তিনি বলেন, নেদারল্যান্ডসের সহায়তায় আইওএম রোহিঙ্গা ও আশ্রয়দানকারী গোষ্ঠীগুলোর জন্য জীবন রক্ষাকারী সহায়তা প্রদান করবে, যা সামাজিক সম্প্রীতি ও নিরাপত্তায় অবদান রাখবে। উডস্ট্রা আশা প্রকাশ করেছেন, তার সরকারের সহায়তা রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি উভয় সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রার উন্নতি করতে এবং দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করবে।