ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বললেন ‘অ্যাকশনে’ যেতে, বাহিনীর সদস্যরা নির্বিকার চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌরশক্তিচালিত সেচ ব্যবস্থায় বদলাচ্ছে কৃষি ব্যবস্থা জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১লা এপ্রিল থেকে আগামী ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে “এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

আরও ২ স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩০

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় কমপক্ষে আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। উপত্যকাটির দুটি স্কুলে চালানো এই হামলায় নিহতদের ৮০ শতাংশই শিশু। হামলায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কিছু মানুষ।
হামলার শিকার স্কুল দুটিতে ফিলিস্তিনি শরণার্থী পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল। রোববার (৪ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা শহরের বাস্তুচ্যুত লোকদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত দুটি স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, গাজা শহরের পশ্চিমে হাসান সালামা এবং আল-নাসর স্কুলকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘নিহতদের প্রায় ৮০ শতাংশই শিশু।’
এই মুখপাত্র বোমা হামলার পর দুটি স্কুলের দৃশ্যকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘গাজা শহরে আর নিরাপদ স্থান নেই এবং (ইসরায়েলি) বাহিনী পবিত্র এসব স্থানকে সম্মান করে না।’
এর আগে শনিবার গাজা শহরের শেখ রাদওয়ান এলাকায় বাস্তুচ্যুত লোকদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালালে কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হয়। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের মতে, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ১৫২টি স্কুলসহ বাস্তুচ্যুত মানুষদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত অন্তত ১৭২টি কেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলা হয়েছে।
বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘স্কুলে হামলায় এক হাজার ৪০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন এবং এই গণহত্যাগুলো টানা ১০ মাস ধরে আমাদের ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান অপরাধের অংশ হয়েই রয়েছে।’
মিডিয়া অফিস ইসরায়েলি দখলদারিত্ব এবং মার্কিন প্রশাসনকে ‘বাস্তুচ্যুত ও বেসামরিকদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত গণহত্যার জন্য দায়ী করেছে’। একইসঙ্গে গাজা উপত্যকায় চলমান রক্তপাত বন্ধ করার জন্য তেল আবিব এবং ওয়াশিংটনের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win

আরও ২ স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলা, নিহত অন্তত ৩০

প্রকাশিত : ০৯:০০:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অগাস্ট ২০২৪

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি বর্বর হামলায় কমপক্ষে আরও ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। উপত্যকাটির দুটি স্কুলে চালানো এই হামলায় নিহতদের ৮০ শতাংশই শিশু। হামলায় আহত হয়েছেন আরও বেশ কিছু মানুষ।
হামলার শিকার স্কুল দুটিতে ফিলিস্তিনি শরণার্থী পরিবারগুলো আশ্রয় নিয়েছিল। রোববার (৪ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গাজা শহরের বাস্তুচ্যুত লোকদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত দুটি স্কুলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ৩০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি জানিয়েছে।
গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা মুখপাত্র মাহমুদ বাসাল বলেছেন, গাজা শহরের পশ্চিমে হাসান সালামা এবং আল-নাসর স্কুলকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘নিহতদের প্রায় ৮০ শতাংশই শিশু।’
এই মুখপাত্র বোমা হামলার পর দুটি স্কুলের দৃশ্যকে ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘গাজা শহরে আর নিরাপদ স্থান নেই এবং (ইসরায়েলি) বাহিনী পবিত্র এসব স্থানকে সম্মান করে না।’
এর আগে শনিবার গাজা শহরের শেখ রাদওয়ান এলাকায় বাস্তুচ্যুত লোকদের আশ্রয়স্থল হিসেবে ব্যবহৃত একটি স্কুলে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান হামলা চালালে কমপক্ষে ১৬ জন নিহত হয়। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিসের মতে, গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ১৫২টি স্কুলসহ বাস্তুচ্যুত মানুষদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত অন্তত ১৭২টি কেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলা হয়েছে।
বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘স্কুলে হামলায় এক হাজার ৪০ জনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন এবং এই গণহত্যাগুলো টানা ১০ মাস ধরে আমাদের ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের চলমান অপরাধের অংশ হয়েই রয়েছে।’
মিডিয়া অফিস ইসরায়েলি দখলদারিত্ব এবং মার্কিন প্রশাসনকে ‘বাস্তুচ্যুত ও বেসামরিকদের বিরুদ্ধে ক্রমাগত গণহত্যার জন্য দায়ী করেছে’। একইসঙ্গে গাজা উপত্যকায় চলমান রক্তপাত বন্ধ করার জন্য তেল আবিব এবং ওয়াশিংটনের ওপর চাপ সৃষ্টি করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।