সংবাদ শিরোনাম :
উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান শিল্পায়নে নতুন মাইলফলক, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ হচ্ছে ৬৫ মিলিয়ন ডলার  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, নতুন উচ্চতায় ঢাকা-কুয়ালালামপুর সম্পর্ক মসজিদুল হারামে ঈদুল আজহার নামাজের ইমামতি করবেন যিনি দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীরকে ‘অতিদ্রুত’ দেশে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত ও অলিগার্কদের ধ্বংস করা হবে: ফখরুল ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চান বিরোধী দলীয় নেতা

অধিকার সবার সমান: প্রধান উপদেষ্টা

মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১২টা হঠাৎ করেই ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে যান প্রধান উপদেষ্টা। তাকে স্বাগত জানান হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের করেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমাদের একটু সাহায্য করুন। ধৈর্য ধরেন, কিছু করতে পারলাম কী পারলাম না, সেটা পরে বিচার করবেন। যদি না পারি আমাদের দোষ দিয়েন।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের গণতান্ত্রিক যে আকাঙ্ক্ষা, সেখানে আমরা মুসলমান, হিন্দু কিংবা বৌদ্ধ হিসেবে নই, মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত হোক সবার। সব সমস্যার গোড়া হলো, আমরা যত প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজনগুলো করেছি; সব কিছু কিন্তু পচে গেছে। এই কারণেই গোলমাল হচ্ছে। কাজেই আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজনগুলো ঠিক করতে হবে।’

হঠাৎ এই পরিস্থিতিতে মন্দির পরিদর্শনে আসার কারণ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘একটা বড় রকমের বিভেদের আওয়াজ শুনছি। বিমানবন্দরে নেমেই যেটা বলেছিলাম, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে চাচ্ছি; যেখানে আমরা এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। পরিবারের মধ্যে কোনও পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনও প্রশ্নই আসে না।’

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ন্যায়বিচার হলে কেউ বিচার পাবে না কেন? আইনে কি বলা আছে এই সম্প্রদায়ের হলে এই আদালতে যাবে, ওই সম্প্রদায়ের হলে ওই আদালতে যাবে? আইন একটা, কার সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে এর রকম একটা, ওর রকম একটা। এটা হতে পারে না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল

অধিকার সবার সমান: প্রধান উপদেষ্টা

প্রকাশিত : ০৫:০১:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৪

মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১২টা হঠাৎ করেই ঢাকেশ্বরী মন্দির পরিদর্শনে যান প্রধান উপদেষ্টা। তাকে স্বাগত জানান হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের করেন।
ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘আমাদের একটু সাহায্য করুন। ধৈর্য ধরেন, কিছু করতে পারলাম কী পারলাম না, সেটা পরে বিচার করবেন। যদি না পারি আমাদের দোষ দিয়েন।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আমাদের গণতান্ত্রিক যে আকাঙ্ক্ষা, সেখানে আমরা মুসলমান, হিন্দু কিংবা বৌদ্ধ হিসেবে নই, মানুষ হিসেবে বিবেচিত। আমাদের অধিকারগুলো নিশ্চিত হোক সবার। সব সমস্যার গোড়া হলো, আমরা যত প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজনগুলো করেছি; সব কিছু কিন্তু পচে গেছে। এই কারণেই গোলমাল হচ্ছে। কাজেই আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক আয়োজনগুলো ঠিক করতে হবে।’

হঠাৎ এই পরিস্থিতিতে মন্দির পরিদর্শনে আসার কারণ হিসেবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘একটা বড় রকমের বিভেদের আওয়াজ শুনছি। বিমানবন্দরে নেমেই যেটা বলেছিলাম, এমন বাংলাদেশ আমরা করতে চাচ্ছি; যেখানে আমরা এক পরিবার। এটা হলো মূল জিনিস। পরিবারের মধ্যে কোনও পার্থক্য করা, বিভেদ করা, এটার কোনও প্রশ্নই আসে না।’

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ন্যায়বিচার হলে কেউ বিচার পাবে না কেন? আইনে কি বলা আছে এই সম্প্রদায়ের হলে এই আদালতে যাবে, ওই সম্প্রদায়ের হলে ওই আদালতে যাবে? আইন একটা, কার সাধ্য আছে সেখানে বিভেদ করে এর রকম একটা, ওর রকম একটা। এটা হতে পারে না।’