ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বললেন ‘অ্যাকশনে’ যেতে, বাহিনীর সদস্যরা নির্বিকার চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌরশক্তিচালিত সেচ ব্যবস্থায় বদলাচ্ছে কৃষি ব্যবস্থা জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১লা এপ্রিল থেকে আগামী ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে “এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

আয়নাঘর পরিদর্শনের ক্ষমতা পেল গুমের তদন্ত কমিশন

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকারের মদদে বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তির সন্ধান এবং গুমের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তদন্ত কমিশনকে। একইসঙ্গে কমিশনকে আয়নাঘরসহ যেসব স্থানে গুমের শিকার ব্যক্তিদের আটকে রাখা হয়েছিল সেসব স্থানসহ দেশের যে কোনো স্থান পরিদর্শনসহ যে কোনো ব্যক্তিকে তলব ও জিজ্ঞাসাবাদেরও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

গত রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিশনকে ৯০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করে দেয় সরকার। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধানে এ কমিশন করা হয়। ওই কমিশনের টার্মস অব রেফারেন্স (কার্যপরিধি) সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে রোববার নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। একইসঙ্গে বাতিল করা হয়েছে ২৭ আগস্টের প্রজ্ঞাপনটি। তবে কমিশনের সব সদস্য অপরিবর্তিত রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win

আয়নাঘর পরিদর্শনের ক্ষমতা পেল গুমের তদন্ত কমিশন

প্রকাশিত : ০১:০৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা সরকারের মদদে বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তির সন্ধান এবং গুমের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তদন্ত কমিশনকে। একইসঙ্গে কমিশনকে আয়নাঘরসহ যেসব স্থানে গুমের শিকার ব্যক্তিদের আটকে রাখা হয়েছিল সেসব স্থানসহ দেশের যে কোনো স্থান পরিদর্শনসহ যে কোনো ব্যক্তিকে তলব ও জিজ্ঞাসাবাদেরও ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

গত রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ সংক্রান্ত ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিশনকে ৯০ দিনের মধ্যে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

গত ২৭ আগস্ট হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিশন গঠন করে দেয় সরকার। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ আগস্ট পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে জোরপূর্বক গুম হওয়া ব্যক্তির সন্ধানে এ কমিশন করা হয়। ওই কমিশনের টার্মস অব রেফারেন্স (কার্যপরিধি) সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে রোববার নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। একইসঙ্গে বাতিল করা হয়েছে ২৭ আগস্টের প্রজ্ঞাপনটি। তবে কমিশনের সব সদস্য অপরিবর্তিত রয়েছেন।