ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বললেন ‘অ্যাকশনে’ যেতে, বাহিনীর সদস্যরা নির্বিকার চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌরশক্তিচালিত সেচ ব্যবস্থায় বদলাচ্ছে কৃষি ব্যবস্থা জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১লা এপ্রিল থেকে আগামী ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে “এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

সীমান্তে বিএসএফের কর্মকাণ্ড নি‌য়ে বাংলা‌দেশের উদ্বেগ

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সাম্প্রতিক কার্যকলাপ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে পররাষ্ট্র স‌চিব মো. জসীম উদ্দীনের দপ্তরে ডেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ক‌রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ‌ দিন রা‌তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তৌ‌ফিক হাসান পররাষ্ট্র স‌চি‌বের বরাত দি‌য়ে জানান, এই ধরনের কার্যকলাপ, বিশেষ করে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের অননুমোদিত প্রচেষ্টা এবং বিএসএফের সংশ্লিষ্ট অপারেশনাল পদক্ষেপ সীমান্তে উত্তেজনা ও ঝামেলা সৃষ্টি করেছে। যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের চেতনাকে ক্ষুণ্ন করে।

পররাষ্ট্র সচিব আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন বিজিবি-বিএসএফ ডিজি পর্যায়ের আলোচনায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা সম্ভব হবে। সুনামগঞ্জে বিএসএফের হাতে সম্প্রতি এক বাংলাদেশি নাগরিকের হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব সীমান্তে হত্যার পুনরাবৃত্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবং হতাশা প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্র সচিব উল্লেখ করেন যে, গুরুতর উদ্বেগের বিষয় যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বারবার অ-প্রাণঘাতী কৌশল অনুসরণ এবং হত্যা বন্ধ করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেও এই ধরনের হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

পররাষ্ট্রসচিব ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন ভারতের সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে এমন কোনও উস্কানিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন, যা সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে।

মো. জসীম উদ্দিন আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে এই ধরণের সমস্যাগুলো গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে এবং সীমান্তে শান্তি ও স্থায়িত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win

সীমান্তে বিএসএফের কর্মকাণ্ড নি‌য়ে বাংলা‌দেশের উদ্বেগ

প্রকাশিত : ০১:০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সাম্প্রতিক কার্যকলাপ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মাকে পররাষ্ট্র স‌চিব মো. জসীম উদ্দীনের দপ্তরে ডেকে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ক‌রে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

এ‌ দিন রা‌তে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র তৌ‌ফিক হাসান পররাষ্ট্র স‌চি‌বের বরাত দি‌য়ে জানান, এই ধরনের কার্যকলাপ, বিশেষ করে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের অননুমোদিত প্রচেষ্টা এবং বিএসএফের সংশ্লিষ্ট অপারেশনাল পদক্ষেপ সীমান্তে উত্তেজনা ও ঝামেলা সৃষ্টি করেছে। যথাযথ অনুমোদন ছাড়াই কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের চেতনাকে ক্ষুণ্ন করে।

পররাষ্ট্র সচিব আশা প্রকাশ করেন, আসন্ন বিজিবি-বিএসএফ ডিজি পর্যায়ের আলোচনায় বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা সম্ভব হবে। সুনামগঞ্জে বিএসএফের হাতে সম্প্রতি এক বাংলাদেশি নাগরিকের হত্যাকাণ্ডের শিকার হওয়ার কথা উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব সীমান্তে হত্যার পুনরাবৃত্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবং হতাশা প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্র সচিব উল্লেখ করেন যে, গুরুতর উদ্বেগের বিষয় যে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ বারবার অ-প্রাণঘাতী কৌশল অনুসরণ এবং হত্যা বন্ধ করার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেও এই ধরনের হত্যাকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

পররাষ্ট্রসচিব ভারত সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন ভারতের সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে এমন কোনও উস্কানিমূলক পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেন, যা সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধি করতে পারে।

মো. জসীম উদ্দিন আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বিশ্বাস করে যে এই ধরণের সমস্যাগুলো গঠনমূলক সংলাপের মাধ্যমে, বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনুসারে এবং সীমান্তে শান্তি ও স্থায়িত্ব বজায় রাখার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত।