ঢাকা ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বললেন ‘অ্যাকশনে’ যেতে, বাহিনীর সদস্যরা নির্বিকার চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌরশক্তিচালিত সেচ ব্যবস্থায় বদলাচ্ছে কৃষি ব্যবস্থা জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১লা এপ্রিল থেকে আগামী ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে “এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

মিসরের গাজা পুনর্গঠন তহবিলে জাতিসংঘ-আরব নেতাদের সমর্থন

গাজা উপত্যকা পুনর্গঠনের জন্য মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি পাঁচ বছর মেয়াদী পাঁচ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের তহবিল তৈরির প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। সে প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছে আরব লীগ ও জাতিসংঘ।

এই তহবিলের লক্ষ্য হলো গাজায় ভবন, রাস্তাসহ সব অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং ফিলিস্তিনিরা যেন নিজ ভূমিতেই থাকতে পারেন সে পরিস্থিতি তৈরি করা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি গাজাকে খালি করে সেখানে ভ্রমণ গন্তব্য তৈরির পরিকল্পনার কথা বলেন। এর বিপরীতে আরব লীগ এই প্রস্তাব গ্রহণ করে।

সিসির পাঁচ বছর মেয়াদী পরিকল্পনার প্রথম দুই বছর দুই লাখ আবাসিক ভবন তৈরির কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ২০৩০ সাল পর্যন্ত আরও দুই লাখ হাউজিং ইউনিট, একটি বিমানবন্দর, বাণিজ্যিক এলাকা, হোটেল ও পার্ক তৈরির কথা বলা হয়েছে। মোট ৩০ লাখ মানুষের থাকার জায়গা তৈরি করার কথা বলেছে।

জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছে। জাতিংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস তার পূর্ণ সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেছেন।

সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের মতো ধনী উপসাগরীয় দেশগুলো এই উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা দেবে। তবে তারা হামাসকে সরাসরি সহযোগিতা করবে না। যুক্তরাষ্ট্র চায় গাজা যেন হামাস নিয়ন্ত্রণ না করে। মিসরের প্রস্তাব, গাজা নিয়ন্ত্রণ করবে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর কথা আলোচিত হচ্ছে।

আগামী মাসে তহবিল সংগ্রহে একটি সম্মেলন আয়োজন করবে মিশর। তবে এসব উদ্যোগ এখনো অনিশ্চয়তায় ঝুলছে। কারণ ইসরায়েল হামাসকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করার দাবি করেছে। অন্যদিকে, হামাস বলছে এটা হলে ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করা হবে।

প্রায় ১৪ মাসের গাজা যুদ্ধে উপত্যকার ৭০ ভাগ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে প্রায় পাঁচ কোটি টন ধ্বংসাবশেষে ঢেকে গেছে পুরো অঞ্চল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win

মিসরের গাজা পুনর্গঠন তহবিলে জাতিসংঘ-আরব নেতাদের সমর্থন

প্রকাশিত : ১২:৩২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ মার্চ ২০২৫

গাজা উপত্যকা পুনর্গঠনের জন্য মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি পাঁচ বছর মেয়াদী পাঁচ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের তহবিল তৈরির প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। সে প্রস্তাবে সমর্থন দিয়েছে আরব লীগ ও জাতিসংঘ।

এই তহবিলের লক্ষ্য হলো গাজায় ভবন, রাস্তাসহ সব অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ এবং ফিলিস্তিনিরা যেন নিজ ভূমিতেই থাকতে পারেন সে পরিস্থিতি তৈরি করা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি গাজাকে খালি করে সেখানে ভ্রমণ গন্তব্য তৈরির পরিকল্পনার কথা বলেন। এর বিপরীতে আরব লীগ এই প্রস্তাব গ্রহণ করে।

সিসির পাঁচ বছর মেয়াদী পরিকল্পনার প্রথম দুই বছর দুই লাখ আবাসিক ভবন তৈরির কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ২০৩০ সাল পর্যন্ত আরও দুই লাখ হাউজিং ইউনিট, একটি বিমানবন্দর, বাণিজ্যিক এলাকা, হোটেল ও পার্ক তৈরির কথা বলা হয়েছে। মোট ৩০ লাখ মানুষের থাকার জায়গা তৈরি করার কথা বলেছে।

জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছে। জাতিংঘের মহাসচিব অ্যান্তনিও গুতেরেস তার পূর্ণ সমর্থনের কথা ব্যক্ত করেছেন।

সৌদি আরব ও আরব আমিরাতের মতো ধনী উপসাগরীয় দেশগুলো এই উদ্যোগে আর্থিক সহায়তা দেবে। তবে তারা হামাসকে সরাসরি সহযোগিতা করবে না। যুক্তরাষ্ট্র চায় গাজা যেন হামাস নিয়ন্ত্রণ না করে। মিসরের প্রস্তাব, গাজা নিয়ন্ত্রণ করবে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তা নিশ্চিতে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানোর কথা আলোচিত হচ্ছে।

আগামী মাসে তহবিল সংগ্রহে একটি সম্মেলন আয়োজন করবে মিশর। তবে এসব উদ্যোগ এখনো অনিশ্চয়তায় ঝুলছে। কারণ ইসরায়েল হামাসকে পুরোপুরি নিরস্ত্র করার দাবি করেছে। অন্যদিকে, হামাস বলছে এটা হলে ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করা হবে।

প্রায় ১৪ মাসের গাজা যুদ্ধে উপত্যকার ৭০ ভাগ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেখানে প্রায় পাঁচ কোটি টন ধ্বংসাবশেষে ঢেকে গেছে পুরো অঞ্চল।