সংবাদ শিরোনাম :
উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান শিল্পায়নে নতুন মাইলফলক, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ হচ্ছে ৬৫ মিলিয়ন ডলার  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, নতুন উচ্চতায় ঢাকা-কুয়ালালামপুর সম্পর্ক মসজিদুল হারামে ঈদুল আজহার নামাজের ইমামতি করবেন যিনি দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীরকে ‘অতিদ্রুত’ দেশে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত ও অলিগার্কদের ধ্বংস করা হবে: ফখরুল ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চান বিরোধী দলীয় নেতা

ভর্তুকি মূল্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ আর সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্ট॥

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতের দাম উৎপাদনের খরচ অনুযায়ী দিতে হবে। এখন আমরা ভর্তুকিমূল্যে দিচ্ছি। সামনে আর দিতে পারবো না। আমাদের যেটা খরচ হচ্ছে সেটা কিন্তু দিতে হবে। তাহলে দেবো, না হলে দেবো না।’ রাজধানীর কৃষিবিদ মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে আমদানি ব্যয় বাড়ায় অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমদানি ব্যয় বাড়ায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। অনেক জিনিস আমাদের আমদানি করতে হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। সেজন্য দামও বেড়ে গেছে।’

‘বিশ্বব্যাপী তেলের মূল্য ও গ্যাসের মূল্য বাড়ায় আমাদের কিছুটা সাশ্রয়ী হতে হচ্ছে। আমরা সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেবো বলেছিলাম। সেই কথা তো রেখেছি। এখন বিশ্বে দাম বাড়লে আমাদের কী করার আছে।’ দেশের মানুষকে পনরায় কৃষিপণ্য উৎপাদনের বিষয়ে জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রত্যেককে আগাম সাবধানতা নিতে হবে। সংকটের পরিস্থিতিতে যেন পড়তে না হয়। সেজন্য জমিতে বাগানে বা ছাদে হলেও কিছু উৎপাদন করেন।’

সরকার উৎখাত করা এত সহজ নয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর আসছে সরকার উৎখাত করতে। সরকার উৎখাত করা এতই সোজা? আওয়ামী লীগ পারে। আইয়ুব খান, এরশাদ ও খালেদা জিয়াকে উৎখাত করেছি। ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসলে চক্রান্ত ষড়যন্ত্র করতে পারে। ২০০১-এ ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। সে বিষয়ে মানুষকে সচেতন থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে বার বার বাধা দেওয়া হয়েছে মন্তব্য করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিন্তু মানুষের শক্তি হচ্ছে বড় শক্তি। ওপরে রাব্বুল আল-আমিন তো আছেনই। আল্লাহর দয়া আর মানুষের শক্তি নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারে এসেছে।’

তবে ক্ষমতায় আসা সহজ ছিল না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত সহজে আসতে দেয়নি। জনগণ আমাদের সমর্থন করে, ভোট আমাদের আছে, কিন্তু নির্বাচনে বার বার কারচুপি করে, ষড়যন্ত্র করে, চক্রান্ত করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ উপলব্ধি করতে পেরেছে—সরকার জনগণের সেবক। একটি সরকার ইচ্ছে করলে মানুষের উন্নতি করতে পারে। সেটি আওয়ামী লীগ সরকার প্রমাণ করেছে।’ বিজয়ের পতাকা সমুন্নত রেখে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।’ এসময় সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সভা সঞ্চালনা করেন। অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সিমিন হোসেন রিমি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল

ভর্তুকি মূল্যে গ্যাস-বিদ্যুৎ আর সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৪:১৫:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২২

অনলাইন রিপোর্ট॥

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুতের দাম উৎপাদনের খরচ অনুযায়ী দিতে হবে। এখন আমরা ভর্তুকিমূল্যে দিচ্ছি। সামনে আর দিতে পারবো না। আমাদের যেটা খরচ হচ্ছে সেটা কিন্তু দিতে হবে। তাহলে দেবো, না হলে দেবো না।’ রাজধানীর কৃষিবিদ মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করা হয়।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে আমদানি ব্যয় বাড়ায় অনেক পণ্যের দাম বেড়ে গেছে উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, ‘আমদানি ব্যয় বাড়ায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। অনেক জিনিস আমাদের আমদানি করতে হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে আমদানি ব্যয় বেড়েছে। সেজন্য দামও বেড়ে গেছে।’

‘বিশ্বব্যাপী তেলের মূল্য ও গ্যাসের মূল্য বাড়ায় আমাদের কিছুটা সাশ্রয়ী হতে হচ্ছে। আমরা সবার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দেবো বলেছিলাম। সেই কথা তো রেখেছি। এখন বিশ্বে দাম বাড়লে আমাদের কী করার আছে।’ দেশের মানুষকে পনরায় কৃষিপণ্য উৎপাদনের বিষয়ে জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রত্যেককে আগাম সাবধানতা নিতে হবে। সংকটের পরিস্থিতিতে যেন পড়তে না হয়। সেজন্য জমিতে বাগানে বা ছাদে হলেও কিছু উৎপাদন করেন।’

সরকার উৎখাত করা এত সহজ নয় মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১০ ডিসেম্বর আসছে সরকার উৎখাত করতে। সরকার উৎখাত করা এতই সোজা? আওয়ামী লীগ পারে। আইয়ুব খান, এরশাদ ও খালেদা জিয়াকে উৎখাত করেছি। ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় বসলে চক্রান্ত ষড়যন্ত্র করতে পারে। ২০০১-এ ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। সে বিষয়ে মানুষকে সচেতন থাকতে হবে।’

আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে বার বার বাধা দেওয়া হয়েছে মন্তব্য করে দলের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘কিন্তু মানুষের শক্তি হচ্ছে বড় শক্তি। ওপরে রাব্বুল আল-আমিন তো আছেনই। আল্লাহর দয়া আর মানুষের শক্তি নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারে এসেছে।’

তবে ক্ষমতায় আসা সহজ ছিল না মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এত সহজে আসতে দেয়নি। জনগণ আমাদের সমর্থন করে, ভোট আমাদের আছে, কিন্তু নির্বাচনে বার বার কারচুপি করে, ষড়যন্ত্র করে, চক্রান্ত করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে বাধা দেওয়া হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর দেশের মানুষ উপলব্ধি করতে পেরেছে—সরকার জনগণের সেবক। একটি সরকার ইচ্ছে করলে মানুষের উন্নতি করতে পারে। সেটি আওয়ামী লীগ সরকার প্রমাণ করেছে।’ বিজয়ের পতাকা সমুন্নত রেখে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তোলার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, ‘আগামীর বাংলাদেশ হবে স্মার্ট বাংলাদেশ।’ এসময় সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র-চক্রান্তের বিরুদ্ধে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ এবং উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম সভা সঞ্চালনা করেন। অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা দেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, প্রেসিডিয়াম সদস্য মতিয়া চৌধুরী, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সিমিন হোসেন রিমি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি বজলুর রহমান, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।