ঢাকা ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বললেন ‘অ্যাকশনে’ যেতে, বাহিনীর সদস্যরা নির্বিকার চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌরশক্তিচালিত সেচ ব্যবস্থায় বদলাচ্ছে কৃষি ব্যবস্থা জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১লা এপ্রিল থেকে আগামী ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে “এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছিঃ প্রধানমন্ত্রী 

অনলাইন রিপোর্ট॥
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের পতেঙ্গা প্রান্তে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সরকার বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তির মিশেলে নানান প্রকল্প ও উন্নয়ন কাজের চিন্তা একমাত্র আওয়ামী লীগই করতে পারে।
শনিবার সকালে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজ সম্পন্নের উদযাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নদীর তলদেশে প্রথমবারের মতো টানেল স্থাপনকে বাংলাদেশের জন্য বিস্ময় বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আমাদের অঞ্চলে এমন টানেল একটি বিস্ময়। এর ফলে দেশের ভাবমূর্তি আরও উঁচু হবে। অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।
বক্তব্যে তিনি পদ্মা সেতুসহ দেশের নানান সড়ক ও যোগাযোগ প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমরা ব্যাপক প্রকল্প নিয়েছি। চট্টগ্রাম অবহেলিত ছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় এই টানেল নির্মাণ হওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, নৌবাহিনী, স্থানীয় জনগণকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, বাংলাদেশকে বদলে দেওয়া। দরিদ্রের হার কমেছে। এদেশে আর দরিদ্র থাকবে না। আমরা দারিদ্র্য দূর করতে সক্ষম হয়েছি। খাবারের জন্য হাহাকার থাকবে না। আমরা নিজেদের সম্পদ ব্যবহার করার সক্ষমতা রাখি। নিজেদের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন করব। কারও কাছে হাত পাতব না। মিতব্যয়ী হতে হবে। একদিকে করোনা, আরেকদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। মুদ্রাস্ফীতি বিশ্বব্যাপী। আমরা আমাদের অর্থনীতি গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছি।
‘আমাদের কৃষি জমি রক্ষা করতে হবে। সবাইকে মাথায় রাখতে হবে, যার যেখানে জায়গা আছে, উৎপাদন করার মানসিকতা থাকবে হবে। তাহলে মন্দা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারব’—যোগ করেন শেখ হাসিনা।
দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হলেও এসব উন্নয়ন যাদের চোখে পড়ে না তাদের একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন অনেকের চোখে পড়ে না। আমরা আই ইনস্টিটিউট করে দিয়েছি। তারা সেখানে চোখ দেখাতে পারে। চোখ থাকতেও অন্ধ। তারা কখনো মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবে না। এতিমের টাকা লুট করতে পারবে।
চীনের সাংহাই শহরের আদলে তৈরি হবে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। হাজার কিলোমিটার দূরের সেই শহরের মতো চট্টগ্রামেও নগর থাকবে একটি। কিন্তু নদীর দু’তীরে থাকবে দুটি টাউন। এই মর্ম কথা বুকে নিয়ে টানেলের স্লোগান হলো- ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকছে। আর আনোয়ারা প্রান্তে রয়েছে ৭২৭ মিটার দীর্ঘ উড়াল সড়ক। নদীর তলদেশ দিয়ে ১৮ থেকে ৩৬ মিটার গভীরতায় সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছে। নদীর মাঝ পয়েন্টে এই গভীরতা প্রায় ১৫০ ফুট। প্রতিটি ৩৫ ফুট প্রশস্ত ও ১৬ ফুট উচ্চতার।
মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দুই সুড়ঙ্গে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকবে। যার ৯৯ শতাংশের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে ৪ হাজার ৪৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বাকি টাকা ঋণ দিচ্ছে চীনের এক্সিম ব্যাংক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ এখন বদলে যাওয়া বাংলাদেশ, এই অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারবে না।” তিনি আরও বলেন, “একটি গোষ্ঠি চোখ থাকতেও অন্ধ, উন্নয়ন তাদের চোখে পড়ে না।”বঙ্গবন্ধু টানেল চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বঙ্গবন্ধু টানেল চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিদেশিদের কাছে হাত পেতে নয়, মাথা উঁচু করে বাংলাদেশ চলবে।” বাংলাদেশে আর দারিদ্র থাকবে না। এখন আর কাউকে খাবারের জন্য হাহাকার করতে হয় না।”
যদিও টানেলের পুরো কাজ এখনো শেষ হয়নি। সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে আগামী ডিসেম্বর পুরো মাস লাগতে পারে। এরপর যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। তবে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সব কাজ শেষ করে টানেল প্রস্তুত হতে ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সব ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে টানেল দিয়ে যান চলাচল করতে পারবে।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win

যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ও অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে সক্ষম হয়েছিঃ প্রধানমন্ত্রী 

প্রকাশিত : ০১:২৬:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২
অনলাইন রিপোর্ট॥
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের পতেঙ্গা প্রান্তে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সরকার বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার ব্যাপক উন্নতি করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, আধুনিক প্রযুক্তির মিশেলে নানান প্রকল্প ও উন্নয়ন কাজের চিন্তা একমাত্র আওয়ামী লীগই করতে পারে।
শনিবার সকালে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেলের দক্ষিণ টিউবের পূর্ত কাজ সম্পন্নের উদযাপন অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নদীর তলদেশে প্রথমবারের মতো টানেল স্থাপনকে বাংলাদেশের জন্য বিস্ময় বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, আমাদের অঞ্চলে এমন টানেল একটি বিস্ময়। এর ফলে দেশের ভাবমূর্তি আরও উঁচু হবে। অর্থনীতি আরও গতিশীল হবে।
বক্তব্যে তিনি পদ্মা সেতুসহ দেশের নানান সড়ক ও যোগাযোগ প্রসঙ্গ তুলে ধরেন। তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রামের উন্নয়নে আমরা ব্যাপক প্রকল্প নিয়েছি। চট্টগ্রাম অবহেলিত ছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর চট্টগ্রামকে গুরুত্ব দিয়ে উন্নয়ন কাজ শুরু করে।
চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় এই টানেল নির্মাণ হওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ও সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, নৌবাহিনী, স্থানীয় জনগণকে ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
সরকারপ্রধান বলেন, আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া, বাংলাদেশকে বদলে দেওয়া। দরিদ্রের হার কমেছে। এদেশে আর দরিদ্র থাকবে না। আমরা দারিদ্র্য দূর করতে সক্ষম হয়েছি। খাবারের জন্য হাহাকার থাকবে না। আমরা নিজেদের সম্পদ ব্যবহার করার সক্ষমতা রাখি। নিজেদের খাদ্য নিজেরা উৎপাদন করব। কারও কাছে হাত পাতব না। মিতব্যয়ী হতে হবে। একদিকে করোনা, আরেকদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। মুদ্রাস্ফীতি বিশ্বব্যাপী। আমরা আমাদের অর্থনীতি গতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছি।
‘আমাদের কৃষি জমি রক্ষা করতে হবে। সবাইকে মাথায় রাখতে হবে, যার যেখানে জায়গা আছে, উৎপাদন করার মানসিকতা থাকবে হবে। তাহলে মন্দা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে পারব’—যোগ করেন শেখ হাসিনা।
দেশের ব্যাপক উন্নয়ন হলেও এসব উন্নয়ন যাদের চোখে পড়ে না তাদের একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের উন্নয়ন অনেকের চোখে পড়ে না। আমরা আই ইনস্টিটিউট করে দিয়েছি। তারা সেখানে চোখ দেখাতে পারে। চোখ থাকতেও অন্ধ। তারা কখনো মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবে না। এতিমের টাকা লুট করতে পারবে।
চীনের সাংহাই শহরের আদলে তৈরি হবে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। হাজার কিলোমিটার দূরের সেই শহরের মতো চট্টগ্রামেও নগর থাকবে একটি। কিন্তু নদীর দু’তীরে থাকবে দুটি টাউন। এই মর্ম কথা বুকে নিয়ে টানেলের স্লোগান হলো- ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’। এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকছে। আর আনোয়ারা প্রান্তে রয়েছে ৭২৭ মিটার দীর্ঘ উড়াল সড়ক। নদীর তলদেশ দিয়ে ১৮ থেকে ৩৬ মিটার গভীরতায় সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছে। নদীর মাঝ পয়েন্টে এই গভীরতা প্রায় ১৫০ ফুট। প্রতিটি ৩৫ ফুট প্রশস্ত ও ১৬ ফুট উচ্চতার।
মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এর মধ্যে টানেলের প্রতিটি সুড়ঙ্গের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। দুই সুড়ঙ্গে দুটি করে মোট চারটি লেন থাকবে। মূল টানেলের সঙ্গে পশ্চিম ও পূর্ব প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক থাকবে। যার ৯৯ শতাংশের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ের এ প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছে ৪ হাজার ৪৬১ কোটি ২৩ লাখ টাকা। বাকি টাকা ঋণ দিচ্ছে চীনের এক্সিম ব্যাংক।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশ এখন বদলে যাওয়া বাংলাদেশ, এই অগ্রযাত্রা কেউ রুখতে পারবে না।” তিনি আরও বলেন, “একটি গোষ্ঠি চোখ থাকতেও অন্ধ, উন্নয়ন তাদের চোখে পড়ে না।”বঙ্গবন্ধু টানেল চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বঙ্গবন্ধু টানেল চালু হলে দেশের অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। বিদেশিদের কাছে হাত পেতে নয়, মাথা উঁচু করে বাংলাদেশ চলবে।” বাংলাদেশে আর দারিদ্র থাকবে না। এখন আর কাউকে খাবারের জন্য হাহাকার করতে হয় না।”
যদিও টানেলের পুরো কাজ এখনো শেষ হয়নি। সম্পূর্ণ কাজ শেষ করতে আগামী ডিসেম্বর পুরো মাস লাগতে পারে। এরপর যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। তবে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, সব কাজ শেষ করে টানেল প্রস্তুত হতে ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সব ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারিতে টানেল দিয়ে যান চলাচল করতে পারবে।