ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বললেন ‘অ্যাকশনে’ যেতে, বাহিনীর সদস্যরা নির্বিকার চট্টগ্রামে নেতাকর্মীদের ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিকায়িত ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সৌরশক্তিচালিত সেচ ব্যবস্থায় বদলাচ্ছে কৃষি ব্যবস্থা জাপানের সঙ্গে কর্মসংস্থান চুক্তি, কর্মী নিয়োগ শুরু ১লা এপ্রিল থেকে আগামী ডিসেম্বরেই চালু হচ্ছে দেশের বেকার জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানে “এম্প্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জ সেন্টার সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আখতারুজ্জামান ১ দিনের রিমান্ডে উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান

চোখের জলে শেষ বিদায়

অনলাইন রিপোর্ট॥
হলের বারান্দা থেকে পড়ে মারা যাওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী কে জি এম শাহরিয়ারের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। চোখের জলে শাহরিয়ারকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন ক্যাম্পাসের সহপাঠীরা।
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে জানাজা শেষে তার মরদেহ লাশবাহী গাড়িতে গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বিরলে রওনা হয়। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন শাহরিয়ারের সহপাঠী, শিক্ষক ও স্বজনেরা।
জানাজায় শাহরিয়ারের বড় ভাই গোলাম শাহরিয়ার সাকি বলেন, আমার স্নেহের ভাইয়ের কফিনের যে ওজন তা নিতে পারবো কিনা জানি না। তাকে সবাই ক্ষমা করে দিয়েন। তার সহপাঠী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা তাকে এভাবে ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদানের জন্য। আমার ভাই এবং আমাদের পরিবারের জন্য দোয়া করবেন যাতে আমরা শোক কাটিয়ে উঠতে পারি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, মানুষের মৃত্যু অবধারিত। তবে এভাবে আমার ছাত্রের মৃত্যু, শিক্ষক হিসেবে তা কখনোই চাই না। ওর আচরণে কেউ কষ্ট পেলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
উল্লেখ্য, বুধবার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের তৃতীয় ব্লকের তৃতীয় তলার বারান্দা থেকে পড়ে আহত হন কে জি এম শাহরিয়ার। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করান হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শাহরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।
শাহরিয়ারের মৃত্যুর পর চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে রাতে হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুর চালান শিক্ষার্থীরা। রাত ২টা পর্যন্ত তারা বিক্ষোভও করেন। পরে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে তারা ক্যাম্পাসে ফেরেন। তবে রাতে কর্মবিরতি পালন করছিলেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

1win – Bono de bienvenida y promociones para casino y apuestas 1win

চোখের জলে শেষ বিদায়

প্রকাশিত : ০৫:২৬:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অক্টোবর ২০২২
অনলাইন রিপোর্ট॥
হলের বারান্দা থেকে পড়ে মারা যাওয়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থী কে জি এম শাহরিয়ারের প্রথম জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। চোখের জলে শাহরিয়ারকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন ক্যাম্পাসের সহপাঠীরা।
বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে জানাজা শেষে তার মরদেহ লাশবাহী গাড়িতে গ্রামের বাড়ি দিনাজপুরের বিরলে রওনা হয়। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন শাহরিয়ারের সহপাঠী, শিক্ষক ও স্বজনেরা।
জানাজায় শাহরিয়ারের বড় ভাই গোলাম শাহরিয়ার সাকি বলেন, আমার স্নেহের ভাইয়ের কফিনের যে ওজন তা নিতে পারবো কিনা জানি না। তাকে সবাই ক্ষমা করে দিয়েন। তার সহপাঠী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা তাকে এভাবে ভালোবাসা ও সহানুভূতি প্রদানের জন্য। আমার ভাই এবং আমাদের পরিবারের জন্য দোয়া করবেন যাতে আমরা শোক কাটিয়ে উঠতে পারি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, মানুষের মৃত্যু অবধারিত। তবে এভাবে আমার ছাত্রের মৃত্যু, শিক্ষক হিসেবে তা কখনোই চাই না। ওর আচরণে কেউ কষ্ট পেলে তাকে ক্ষমা করে দিবেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে কোনো ধরনের সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
উল্লেখ্য, বুধবার রাত ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের তৃতীয় ব্লকের তৃতীয় তলার বারান্দা থেকে পড়ে আহত হন কে জি এম শাহরিয়ার। পরে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করান হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। শাহরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।
শাহরিয়ারের মৃত্যুর পর চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে রাতে হাসপাতালে ব্যাপক ভাঙচুর চালান শিক্ষার্থীরা। রাত ২টা পর্যন্ত তারা বিক্ষোভও করেন। পরে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসে তারা ক্যাম্পাসে ফেরেন। তবে রাতে কর্মবিরতি পালন করছিলেন হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।