সংবাদ শিরোনাম :
উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান শিল্পায়নে নতুন মাইলফলক, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ হচ্ছে ৬৫ মিলিয়ন ডলার  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, নতুন উচ্চতায় ঢাকা-কুয়ালালামপুর সম্পর্ক মসজিদুল হারামে ঈদুল আজহার নামাজের ইমামতি করবেন যিনি দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীরকে ‘অতিদ্রুত’ দেশে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত ও অলিগার্কদের ধ্বংস করা হবে: ফখরুল ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চান বিরোধী দলীয় নেতা

অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫০টি শিল্প ইউনিট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন রিপোর্ট॥
সারা দেশে অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫০টি শিল্প ইউনিট, প্রকল্প ও স্থাপনা উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (রোববার) সকালে দেশের এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।
৫০টি শিল্প স্থাপনার মধ্যে চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে (বিএসএমএসএন) চারটি কারখানা এবং বেসরকারিভাবে পরিচালিত বিভিন্ন ইজেডে আটটি কারখানা খোলা হয়েছে। এই শিল্প ইউনিটগুলো ইতিমধ্যেই ৯৬৭.৭৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে এবং প্রায় ৩৩১.২৭ মিলিয়ন বিনিয়োগ করবে। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ইজেড-এ ২৯টি শিল্প ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যেগুলো এখন পর্যন্ত ৬১০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং আর ১,৯২২.৩৯ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএমএসএন-এ ২০-কিলোমিটার শেখ হাসিনা সরণি, ২৩০-কেভিএ গ্রিডলাইন এবং সাবস্টেশন উদ্বোধন করেন এবং প্রতিদিন ৫০ মিলিয়ন লিটার (এমএলডি) ক্ষমতা সম্পন্ন একটি পানি শোধনাগারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এছাড়াও আগামী ৬ ডিসেম্বর জাপানিজ ইকোনমিক জোন উদ্বোধন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রামে বিএসএমএসএন প্রান্ত থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন। অনুষ্ঠানে বেজার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। পরিকল্পিত ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে, সরকার ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদন করেছে, যার মধ্যে ২৮টি বর্তমানে উন্নয়নাধীন রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১২টি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিচালনার লাইসেন্স পেয়েছে এবং এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বার্ষিক ৪০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য উৎপাদন এবং রপ্তানি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ট্যাক্স হলিডে, এবং কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির শুল্কমুক্ত আমদানির সুবিধা পেতে পারেন।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল

অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫০টি শিল্প ইউনিট উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৩:৩০:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ নভেম্বর ২০২২
অনলাইন রিপোর্ট॥
সারা দেশে অর্থনৈতিক অঞ্চলে ৫০টি শিল্প ইউনিট, প্রকল্প ও স্থাপনা উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ (রোববার) সকালে দেশের এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধন করেন তিনি। গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী।
৫০টি শিল্প স্থাপনার মধ্যে চট্টগ্রামের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরে (বিএসএমএসএন) চারটি কারখানা এবং বেসরকারিভাবে পরিচালিত বিভিন্ন ইজেডে আটটি কারখানা খোলা হয়েছে। এই শিল্প ইউনিটগুলো ইতিমধ্যেই ৯৬৭.৭৩ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ করেছে এবং প্রায় ৩৩১.২৭ মিলিয়ন বিনিয়োগ করবে। প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ইজেড-এ ২৯টি শিল্প ইউনিটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যেগুলো এখন পর্যন্ত ৬১০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে এবং আর ১,৯২২.৩৯ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএসএমএসএন-এ ২০-কিলোমিটার শেখ হাসিনা সরণি, ২৩০-কেভিএ গ্রিডলাইন এবং সাবস্টেশন উদ্বোধন করেন এবং প্রতিদিন ৫০ মিলিয়ন লিটার (এমএলডি) ক্ষমতা সম্পন্ন একটি পানি শোধনাগারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এছাড়াও আগামী ৬ ডিসেম্বর জাপানিজ ইকোনমিক জোন উদ্বোধন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
চট্টগ্রামে বিএসএমএসএন প্রান্ত থেকে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন। অনুষ্ঠানে বেজার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ওপর একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। পরিকল্পিত ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে, সরকার ৯৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল অনুমোদন করেছে, যার মধ্যে ২৮টি বর্তমানে উন্নয়নাধীন রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১২টি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিচালনার লাইসেন্স পেয়েছে এবং এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়েছে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে বার্ষিক ৪০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য উৎপাদন এবং রপ্তানি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ট্যাক্স হলিডে, এবং কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতির শুল্কমুক্ত আমদানির সুবিধা পেতে পারেন।