সংবাদ শিরোনাম :
উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল জুলাই আন্দোলনের মিথ্যা মামলা ও হয়রানিতে ব্যবস্থা: ডিবিপ্রধান শিল্পায়নে নতুন মাইলফলক, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ হচ্ছে ৬৫ মিলিয়ন ডলার  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সরকারি ব্যানার-বিলবোর্ডে প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার নিষিদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর, নতুন উচ্চতায় ঢাকা-কুয়ালালামপুর সম্পর্ক মসজিদুল হারামে ঈদুল আজহার নামাজের ইমামতি করবেন যিনি দুবাইয়ে গ্রেফতার বেনজীরকে ‘অতিদ্রুত’ দেশে আনা হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার অর্থনীতির সাম্য-ন্যায্যতা নিশ্চিত ও অলিগার্কদের ধ্বংস করা হবে: ফখরুল ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চান বিরোধী দলীয় নেতা

রাজধানীর সব ক্যাবল যাবে আন্ডারগ্রাউন্ডে বলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

ফাইল ফটো

অনলাইন রিপোর্ট॥
রাজধানী ঢাকার একটি বড় অংশ আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ ক্যাবলের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে ক্যাবল-ট্রান্সফর্মার আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে। কোনো তার ঝোলানো থাকবে না। এর ফলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে। আজ ( ১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ডিপিডিসি এলাকা পরিদর্শনের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকরা যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পায় সে লক্ষ্যে ডিপিডিসি এলাকায় পুরো সিস্টেম আপগ্রেড করতে কাজ চলমান রয়েছে। চার বছর আগে চীনের সঙ্গে প্রায় ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের জিটুজি প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছিল।
আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল প্রকল্পটি ধানমন্ডি এলাকায় প্রথম শুরু করা হয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশের মতো সব ক্যাবল আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে। আগামী সপ্তাহ থেকে এই কাজ শুরু হবে। ট্রান্সফর্মার এর কোনো তার আর ঝোলানো অবস্থায় দেখা যাবে না। তিনি আরও বলেন, ইলেকট্রিক লাইনের পাশাপাশি ফাইবার অপটিক ক্যাবলও আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকবে। ধানমন্ডির পর ডিপিডিসির বাকি এলাকায় পর্যায়ক্রমে এই কাজ করা হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ধানমন্ডির আগে তেজগাঁও এলাকার উপকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ধানমন্ডি এলাকায় ডিপিডিসির আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলের কাজ শেষ হতে ৩ বছর সময় লাগবে। আর আগামী ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে ঢাকার বড় অংশের কাজ শেষ হবে।
খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে কি না প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে কি না সে ব্যাপারে যাচাইবাছাই করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি সিদ্ধান্ত নেবে। এলএনজি আমদানির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলএনজি কেনা হবে।
আগামী মার্চের পর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে বিদ্যুৎ সংকট কেটে যাবে আশা প্রকাশ করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

উনিশেই ইউরো ও বিশ্বজয়, ফুটবলের নতুন যুগের মুখ ইয়ামাল

রাজধানীর সব ক্যাবল যাবে আন্ডারগ্রাউন্ডে বলেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০২:১০:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২২
অনলাইন রিপোর্ট॥
রাজধানী ঢাকার একটি বড় অংশ আন্ডারগ্রাউন্ড বিদ্যুৎ ক্যাবলের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছেন জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরে ক্যাবল-ট্রান্সফর্মার আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে। কোনো তার ঝোলানো থাকবে না। এর ফলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হবে। আজ ( ১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে ডিপিডিসি এলাকা পরিদর্শনের সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি একথা বলেন।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকরা যাতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পায় সে লক্ষ্যে ডিপিডিসি এলাকায় পুরো সিস্টেম আপগ্রেড করতে কাজ চলমান রয়েছে। চার বছর আগে চীনের সঙ্গে প্রায় ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের জিটুজি প্রকল্পটি নেওয়া হয়েছিল।
আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল প্রকল্পটি ধানমন্ডি এলাকায় প্রথম শুরু করা হয় উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদেশের মতো সব ক্যাবল আন্ডারগ্রাউন্ডে চলে যাবে। আগামী সপ্তাহ থেকে এই কাজ শুরু হবে। ট্রান্সফর্মার এর কোনো তার আর ঝোলানো অবস্থায় দেখা যাবে না। তিনি আরও বলেন, ইলেকট্রিক লাইনের পাশাপাশি ফাইবার অপটিক ক্যাবলও আন্ডারগ্রাউন্ডে থাকবে। ধানমন্ডির পর ডিপিডিসির বাকি এলাকায় পর্যায়ক্রমে এই কাজ করা হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ধানমন্ডির আগে তেজগাঁও এলাকার উপকেন্দ্র পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, ধানমন্ডি এলাকায় ডিপিডিসির আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবলের কাজ শেষ হতে ৩ বছর সময় লাগবে। আর আগামী ৫ থেকে ৬ বছরের মধ্যে ঢাকার বড় অংশের কাজ শেষ হবে।
খুচরা গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হবে কি না প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়বে কি না সে ব্যাপারে যাচাইবাছাই করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন-বিইআরসি সিদ্ধান্ত নেবে। এলএনজি আমদানির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এলএনজি কেনা হবে।
আগামী মার্চের পর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র চালু হলে বিদ্যুৎ সংকট কেটে যাবে আশা প্রকাশ করেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।